Back to Home

Student life at BL College
বিজ্ঞান মেলায় এক টুকরো স্মৃতি: বিএল কলেজ
সময়ের সাথে সাথে বলা ঠিক হবে না, সময়ে ক্রমে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রুচির পরিবর্তন ঘটেছে তাই এখন আর ফেসবুক আর ছবি ছাড়া হয় না। এবং কি? নিজের প্রোফাইল ...
By sourav • 2024-09-24

সময়ের সাথে সাথে বলা ঠিক হবে না, সময়ে ক্রমে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রুচির পরিবর্তন ঘটেছে তাই এখন আর ফেসবুক আর ছবি ছাড়া হয় না। এবং কি? নিজের প্রোফাইল পিকচার টাও নিজের নয়।

বর্তমান সময় এটা আছে এটা। তবুও জানি ভবিষ্যতে এটা পরিবর্তন ঘটবে।এখন আসল ঘটনায় আসা যাক, সেবার বিজ্ঞান মেলা হলো এটা ২৩ সালের সম্ভবত ফেব্রুয়ারি মাস।আমি সেকেন্ড ইয়ারে পরীক্ষার পর চুল পড়ার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে মাথার চুল ফেলে দিলাম।কারন এখন পরীক্ষার পর কিছুটা বিশ্রাম আর কি? এরপর শুরু হলো কলেজ একের পর এক ইভেন্ট।এই টাক মাথায় হেংলা চেহারা নিয়ে পরস শীতের আদরে অনুষ্ঠান উপভোগ করতাম।

সবাই যখন বিজ্ঞান মেলা ঘুরে দেখছেন তখন আমি নিউটনের মাথা নিয়ে ব্যস্ত।এই ব্যস্ততা গভীর আগ্ৰহের এবং আনন্দের।এটা নিউটনের মাথা তার ভিতরে আমি,এই স্টল টা ছিল আমার সিনিয়র ভাইপো সৌহার্দ্য স্টল মানে ওদের বিভাগের।ও পদার্থ বিজ্ঞানে আছে।এই স্টলে এসে সবাই ছবি তোলার জন্য প্রায় সিরিয়াল দেওয়ার মতো অবস্থা। চোখের আড়াল হতেই আরেকজনের ছবি তোলা।আমিও সুযোগ আসতেই বিজ্ঞানী নিউটন আঙ্কেল এর ছবিতে আমার স্থানটা পাকাপোক্ত করে নিলাম।ছবিটা যতদূর মনে পড়ে হীরক দা তুলেছিল।

এটা ছিল দেওয়াল পত্রিকা, গনিত বিভাগ। এখানে বিশেষ করে বলে রাখা ভালো হীরক দা যার কথা পূর্বেই বলেছি।এটা তার বিভাগ এটা ছিল পদার্থ বিজ্ঞানে স্টল এর পর দুইটা স্টল রেখে পরিসংখ্যান ও সাইকোলজি।যদিও তাদের আয়োজন এইরকম বিজ্ঞান ভিত্তিক নয় তবুও এটা ছিল অন্যরকম।তারা তাদের মতো করে সাজিয়েছে। এরপর ঘুরতে ঘুরতে হীরক দার সাথে তাল মিলিয়ে চলে আসলাম এই দেওয়াল পত্রিকায়। যদিও এর পাশাপাশি ছিল অন্য বিজ্ঞান ভিত্তিক বিভাগের দেওয়ার পত্রিকা।

সিনিয়র ভাইপো যার পকেট প্রান্তে হাত ওর পাশে সিনিয়র ভাইপোর বন্ধু সজল আর এ পাশে আমি এবং হীরক দা ও শাস্বত।এই আয়োজন কে স্মৃতি বন্দি করার চেষ্টা।প্রতিটা অনুষ্ঠানকে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখতে সবাই ফ্রেমবন্দি হতে চাই।কারন টা বর্তমান সমায়ে স্বাভাবিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করা আবার অনেক মনে করে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখা। কখনো কখনো সেই স্মৃতি এলবাম খুলে সেই মানুষটিকে মনে করা। আমার কারন টা স্পষ্ট ফেসবুকে আপলোড করা। এইজন্য যে সবাইকে জানান দেওয়া আমাদের বিএল কলেজ বিজ্ঞান মেলা হচ্ছে এবং আমি সেই মেলা উপভোগ করছি।

আমি আর হীরক দা, যার কথা কয়েকবার বলেছি।এখন দুইজনের ছবি দিয়ে স্পেশালি পরিচয় করিয়ে দেওয়া।

বর্তমান সময় এটা আছে এটা। তবুও জানি ভবিষ্যতে এটা পরিবর্তন ঘটবে।এখন আসল ঘটনায় আসা যাক, সেবার বিজ্ঞান মেলা হলো এটা ২৩ সালের সম্ভবত ফেব্রুয়ারি মাস।আমি সেকেন্ড ইয়ারে পরীক্ষার পর চুল পড়ার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে মাথার চুল ফেলে দিলাম।কারন এখন পরীক্ষার পর কিছুটা বিশ্রাম আর কি? এরপর শুরু হলো কলেজ একের পর এক ইভেন্ট।এই টাক মাথায় হেংলা চেহারা নিয়ে পরস শীতের আদরে অনুষ্ঠান উপভোগ করতাম।

সবাই যখন বিজ্ঞান মেলা ঘুরে দেখছেন তখন আমি নিউটনের মাথা নিয়ে ব্যস্ত।এই ব্যস্ততা গভীর আগ্ৰহের এবং আনন্দের।এটা নিউটনের মাথা তার ভিতরে আমি,এই স্টল টা ছিল আমার সিনিয়র ভাইপো সৌহার্দ্য স্টল মানে ওদের বিভাগের।ও পদার্থ বিজ্ঞানে আছে।এই স্টলে এসে সবাই ছবি তোলার জন্য প্রায় সিরিয়াল দেওয়ার মতো অবস্থা। চোখের আড়াল হতেই আরেকজনের ছবি তোলা।আমিও সুযোগ আসতেই বিজ্ঞানী নিউটন আঙ্কেল এর ছবিতে আমার স্থানটা পাকাপোক্ত করে নিলাম।ছবিটা যতদূর মনে পড়ে হীরক দা তুলেছিল।

এটা ছিল দেওয়াল পত্রিকা, গনিত বিভাগ। এখানে বিশেষ করে বলে রাখা ভালো হীরক দা যার কথা পূর্বেই বলেছি।এটা তার বিভাগ এটা ছিল পদার্থ বিজ্ঞানে স্টল এর পর দুইটা স্টল রেখে পরিসংখ্যান ও সাইকোলজি।যদিও তাদের আয়োজন এইরকম বিজ্ঞান ভিত্তিক নয় তবুও এটা ছিল অন্যরকম।তারা তাদের মতো করে সাজিয়েছে। এরপর ঘুরতে ঘুরতে হীরক দার সাথে তাল মিলিয়ে চলে আসলাম এই দেওয়াল পত্রিকায়। যদিও এর পাশাপাশি ছিল অন্য বিজ্ঞান ভিত্তিক বিভাগের দেওয়ার পত্রিকা।

সিনিয়র ভাইপো যার পকেট প্রান্তে হাত ওর পাশে সিনিয়র ভাইপোর বন্ধু সজল আর এ পাশে আমি এবং হীরক দা ও শাস্বত।এই আয়োজন কে স্মৃতি বন্দি করার চেষ্টা।প্রতিটা অনুষ্ঠানকে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখতে সবাই ফ্রেমবন্দি হতে চাই।কারন টা বর্তমান সমায়ে স্বাভাবিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করা আবার অনেক মনে করে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখা। কখনো কখনো সেই স্মৃতি এলবাম খুলে সেই মানুষটিকে মনে করা। আমার কারন টা স্পষ্ট ফেসবুকে আপলোড করা। এইজন্য যে সবাইকে জানান দেওয়া আমাদের বিএল কলেজ বিজ্ঞান মেলা হচ্ছে এবং আমি সেই মেলা উপভোগ করছি।

আমি আর হীরক দা, যার কথা কয়েকবার বলেছি।এখন দুইজনের ছবি দিয়ে স্পেশালি পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
About the Author

Sourav Halder
Sourav Halder is a writer and web developer focused on building modern, scalable digital platforms. He works with technologies like MediaWiki, WordPress, and the MERN stack to create powerful websites, automation tools, and knowledge platforms. Alongside development, he writes articles and analyses that explore technology, media, and society.